শিক্ষার্থী-সাংবাদিকেদের এআই শেখাতে ইউনিসেফ-আইসিটি বিভাগ বৈঠক

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৬:২৬  

প্রাথমিকের ৫ কোটি শিক্ষার্থীকে স্মার্ট করতে আইসিটি বিভাগের পাশে থাকবে ইউনিসেফ। সোমবার দুপুরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনেস্কো বাংলাদেশ এর প্রধান ড. সুজান ভাইজ এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এমনটাই জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেছেন, সাধারণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এআই লিটারেসি, সাইবার সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইন এবং নীতিমালা নিয়ে আইসিটি বিভাগ ও ইউনেস্কো কীভাবে কাজ করবে সে বিষয়ে ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে।

আলোচনা নিয়ে ড. সুজান ভাইজ বলেছেন, আলোচনাটি খুবই খুবই চমৎকার। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে মন্ত্রণালয়ের আগ্রহ দেখে আমি অভিভূত। আমরা বেশ সহযোগিতার বেশ কয়েকটি ভালো জায়গা খুঁজে পেয়েছি। এর মধ্য শুরুতেই আছে এআই। এছাড়াও সবচেয়ে তরুণ বয়সীদের জন্য এআই শিক্ষা, ডিজিটাল স্বাক্ষরতা ও সাংবাদিকদের সচেতনতা সৃষ্টি ও প্রশিক্ষণ নিয়ে আলাপ হয়েছে। স্মার্ট সিটি, স্মার্ট সিটিজেন ও স্মার্ট লিডার গড়তে বাংলাদেশকে সব ধরণের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ইউনিসেফ।

পলক বলেন, একটি সহনশীল ও প্রগতিশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে এজেন্সি টু ইনোভেট (এটুআই প্রকল্পে) এর মাধ্যমে শিক্ষা ও ডিজিটাল সাক্ষরতা সৃষ্টিতে কাজ করার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও ব্যবসায়ীদের আরো বেশি সচেতন করে তোলা হবে। সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও প্রশাসনিক শীর্ষ ব্যক্তিদের এআই সস্পর্কে সচেতন করা হবে। স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এআই এর ওপর দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, ইউনেস্কোর সঙ্গে ১৮-২৫ বছরের শিক্ষার্থীদের সাংবাদিকতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবে এটুআই হিউম্যান ডেভলপমেন্ট মিডিয়া উইং। এখাড়াও শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের শিক্ষারর্থীদের বয়স অনুযায়ী প্রশিক্ষণ এবং  শিক্ষকদের সচেতন করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী পলক জানান, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এআই নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। এরপর আইন করা হবে। এ নিয়ে ইউনোস্কো বাংলাদেশকে সহযোগিতার পথেরেখা তৈরি করছে। সচেতনতার সঙ্গে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের এজ প্রকল্পের অধীনে স্মার্ট লিডারশিপ একাডেমির পক্ষ থেকেে চারটি এআই লিটারেসি সেশন করা হবে।